বাসায় রেস্তোরাঁর স্বাদে হাড়িয়া কাবাব
কাবাব খেতে পছন্দ করেন অনেকে। পুরান ঢাকায় বাহারি নামের সব কাবাব পাওয়া যায়। আপনি চাইলে ঘরে হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়ে কাবাব তৈরি করতে পারেন। আজ আমরা আপনাদের জানাব, কীভাবে বাসায় সহজে ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে হাড়িয়া কাবাব তৈরি করবেন।
কাবাব দেশি খাবার না হলেও বেশ জনপ্রিয়। হাড়িয়া কাবাব খেতে সুস্বাদু। মুখরোচক এ পদ আপনি পরোটা, লুচি, পোলাও কিংবা সাদা ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন। আমরা গরুর মাংস দিয়ে হাড়িয়া কাবাব তৈরি করব।
এনটিভির রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান টুডে’স কিচেন-এর একটি পর্বে হাড়িয়া কাবাবের রেসিপি দেওয়া হয়েছে। রেসিপিটি তৈরি করেছেন রন্ধনশিল্পী জোবাইদা রহমান। খাবার সাজিয়েছেন কার্ভিং এক্সপার্ট বিল্লাল হোসাইন। আসুন, জেনে নিই বাসায় সহজে হাড়িয়া কাবাব তৈরির পদ্ধতি। তার আগে চলুন দেখে নিই কী কী উপকরণ লাগবে।
উপকরণ
১. গরুর মাংস
২. আদা বাটা
৩. রসুন বাটা
৪. দারুচিনি-জয়ত্রী বাটা
৫. জয়ফল বাটা
৬. টালা মরিচ গুঁড়ো
৭. পেঁপে বাটা
৮. টক দই
৯. ঘি
১০. পেঁয়াজ বেরেস্তা
১১. সামান্য পানি
১২. স্বাদমতো লবণ
১৩. পরিমাণ মতো তেল
১৪. সামান্য জিরা
১৫. এলাচ
১৬. পোস্তদানা বাটা
১৭. লেবুর রস
১৮. সামান্য চিনি
১৯. কয়েকটি গোলমরিচ
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে গরুর মাংসের সাথে এক চা চামচ আদা বাটা, এক চা চামচ রসুন বাটা, এক চা চামচ দারুচিনি-জয়ত্রী বাটা, সামান্য জয়ফল বাটা, এক চা চামচ টালা মরিচ গুঁড়ো, এক চা চামচ পেঁপে বাটা, দুই চামচ টক দই, এক চামচ ঘি ও আধা কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে ভালো করে মেখে ২৫ মিনিট রেখে দিতে হবে।
মেরিনেশন শেষে একটি প্যানে মাংসগুলো নিয়ে এর মধ্যে এক কাপ পানি দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে পানি শুকিয়ে আসা পর্যন্ত রান্না করতে হবে। এবার এর মধ্যে পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে একটু নেড়ে তুলে রেখে দিতে হবে।
এখন আরেকটি প্যানে এক টেবিল চামচ তেল, এক টেবিল চামচ ঘি দিয়ে সামান্য জিরা ও এলাচের ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ একটু ভেজে নিয়ে মাংসগুলো এর মধ্যে ঢেলে দিতে হবে। এরপর এক টেবিল চামচ পোস্তদানা বাটা, সামান্য পানি, একটু লেবুর রস, এক চিমটি চিনি ও কয়েকটি গোলমরিচ দিয়ে একটু নেড়ে তুলে ফেলতে হবে।
ব্যস, তৈরি হয়ে গেল দারুণ স্বাদের হাড়িয়া কাবাব। এবার সাজিয়ে পরিবেশন করুন। এ রেসিপিটি সহজে প্রস্তুত করতে ও রন্ধন প্রণালি সম্পর্কে জানতে উপর্যুক্ত ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখুন। সেই সঙ্গে দেখে নিন গ্রিল চিকেনের রেসিপি।